Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশে সাক্ষরতা কার্যক্রম শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮০ সালে সরকারীভাবে জাতীয় বয়স্ক সাক্ষরতা কাউন্সিল গঠিত হয় এবং দেশব্যাপী সাক্ষরতা কার্যক্রম গৃহীত হয়। পরবর্তীতে দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রথমত: শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সম্প্রসারিত করে আলাদাভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ গঠন করা হয়। এই বিভাগের অধীনে ১৯৯২ সনে সমন্বিত উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তার কার্যক্রম (ইনফেপ) নামে একটি বৃহৎ প্রকল্প গঠন করা হয়। এ প্রকল্পের অভাবনীয় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে ইনফেপ প্রকল্পের জনবল নিয়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয় এবং প্রতিটি জেলার কালেক্টরেট ভবনে জেলা কো-অর্ডিনেটরের কার্যালয় স্থাপন করা হয়। প্রাথমিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকার ২০০৩ সালে প্রাথমিম ও গণশিক্ষা বিভাগকে পুনাঙ্গ মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেন এবং  তার কার্যক্রম শুরু করা হয়। ১৭ এপ্রিল ২০০৫ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর স্থলে  উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো গঠন করা হয় এবং জেলা কো-অর্ডিনেটরের কার্যালয়কে সহকারী পরিচালকের কার্যালয়,‍‍‌‌‌"জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোÓনামে অভিহিত করা হয়। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য সরকার ২০০৬ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করেন। তার প্রেক্ষিতে বর্তমানে ৬৪ টি জেলায় বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

ছবি